শনিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:৩২ অপরাহ্ন
Logo
নোটিশ :
Wellcome to our website...

ওয়েব ডিজাইন কি, কিভাবে, কোথায় শিখবেন,ওয়েব ডিজাইন শেখার খুটিনাটি [অনলাইনে আয়]

মোঃ নাছির উদ্দিন / ৪৯৭ বার
আপডেটের সময় মঙ্গলবার, ১০ আগস্ট, ২০২১

ওয়েব ডিজাইন কি?


Web Design হলো ওয়েবসাইট দেখতে কেমন হবে তার একটি টেমপ্লেট তৈরি করা। অর্থাৎ একটি ওয়েবসাইটের কোথায় মেনু বার হবে, কোথায় ইমেজ দিতে হবে, ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ দেখাবে, মোবাইল স্কিনে কেমন দেখাবে, এবং কোথায় কি রং ব্যবহার করতে হবে তার একটি রূপ নির্ধারণ করা। সংক্ষেপে বলতে গেলে একটি ওয়েবসাইট দেখতে কেমন হবে সেটি নির্ধারণ করা বা সেরকম ভাবে তৈরি করাই হচ্ছে ওয়েব ডিজাইন এর কাজ।

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কি?
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট হলো একটি ওয়েবসাইট এর মধ্যে কি কি তথ্য থাকবে, কোথায় কি কি তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে, কোথায় থেকে ওয়েবসাইটটি লোড হবে, এবং কিভাবে ব্যবহার করতে হবে, এর পিছনে যে কাজ গুলো রয়েছে সেগুলো হল ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর কাজ।

অর্থাৎ ওয়েব ডিজাইন এবং ওয়েব ডেভেলপমেন্ট মিলিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইট তৈরি হয়। একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার পর যদি তার পিছনে ডেভলপমেন্ট এর কাজ না করা হয় তাহলে একটি ওয়েবসাইট পরিচালনা করা সম্ভব নয়।


ওয়েব ডিজাইন এবং ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর মধ্যে পার্থক্যঃ
Web Design এবং Web Development এর প্রধান পার্থক্য হল- একটি ওয়েবসাইট দেখতে কেমন হবে সেটি নির্ধারণ করা হয় ওয়েব ডিজাইন এর মাধ্যমে, এবং একটি ওয়েবসাইটের সকল কমান্ড বা দিকনির্দেশনা গুলো নির্ধারণ করা হয় ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর মাধ্যমে।

ওয়েব ডিজাইন এবং ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর মধ্যে প্রধান পার্থক্য গুলো আপনারা বুঝতে পেরেছেন।

এখন কথা হচ্ছে ওয়েব ডিজাইন, এবং ওয়েব ডেভেলপমেন্ট একই ব্যক্তি করে কিনা? বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই web-development এবং ওয়েব ডিজাইন আলাদা আলাদা ব্যক্তি দ্বারা করানো হয়। এবং কিছু কিছু পেলেন স্যার বা কিছু কিছু ডেভলপার রয়েছে যারা ওয়েব ডিজাইন/Web Design এবং ডেভেলপমেন্ট দুটো একসাথে করে থাকে।

পেশা হিসাবে ওয়েব ডিজাইন কেমন?
আপনি যদি পেশা হিসেবে ওয়েব ডিজাইন কে বেছে নিতে চান তাহলে আমি বলব এর চাহিদা ব্যাপক। বর্তমান মার্কেটপ্লেসগুলোতে ওয়েব ডিজাইনের রয়েছে, সে কাজগুলো করার মতো ততটা এক্সপার্ট বা দক্ষতা সম্পন্ন ওয়েব ডিজাইনার এখনো পর্যন্ত নেই। তাই যদি কেউ ওয়েব ডিজাইন শিখে মার্কেটপ্লেসে বা অফলাইনে কাজ করতে যায় সেক্ষেত্রে ওয়েব ডিজাইন শেখার সিদ্ধান্ত নেওয়াটা ভুল হবেনা।

কি কি কাজ শিখতে হবে?
একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার ক্ষেত্রে বা ডিজাইন করার ক্ষেত্রে তার স্ট্রাকচার এর ওপর নির্ভর করে বেশকিছু প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এবং স্ক্রিপ্ট শিখতে হয়। এবং একটি ওয়েবসাইট এর আকৃতি তৈরি করার জন্য প্রথমে ফটোশপ ব্যবহার করতে হয়। এবং ফটোশপ তারা এর গঠন নির্ধারণ করে তারপর প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ তারা সেটাকে কনভার্ট করতে হয়।

কেন ওয়েব ডিজাইন শিখব?
আপনি যে কাজই করেন না কেন যে কোন একটি বিষয়ে আপনাকে দক্ষতা অর্জন করতে হবে, অন্যথায় একটি সফল ক্যারিয়ার গড়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়। যেহেতু যে কোন একটি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে সেহেতু যে বিষয়গুলোর চাহিদা বর্তমান বাজারে অনেক বেশি এবং মূল্যবান সেগুলো বেছে নেওয়াটা বুদ্ধিমানের কাজ। বর্তমান বাজারে ওয়েব Web Design এর মূল্য এবং চাহিদা অনেক বেশি থাকায় ওয়েব ডিজাইন শিখতে পারেন।

তবে এখানে আরেকটা কথা বলে রাখা উচিত, শুধুমাত্র চাহিদা এবং মূল্য দেখলেই সেদিকে ঝাঁপিয়ে পড়া উচিত নয়। যে কাজটি আপনার কাছে ভালো লাগে এবং আপনার কাছে সহজ মনে হয় এবং করার আগ্রহ প্রচন্ড থাকে, সেই কাজটি করুন।সেক্ষেত্রে অন্য কাজের তুলনায় আপনার ভাললাগা কাজটি করে সফলতার দুয়ারে পৌঁছা টা অনেক সহজ হয়ে যাবে।

বহুল ব্যবহৃত এবং প্রয়োজন কিছু প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজঃ
এইচটিএমএল (HTML): HTML একটি মার্কআপ ভাষা। ব্রাউজার কোন একটা সাইটের ভিউয়ার যা দেখতে পায় তা এইচটিএমএল দিয়ে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। এটি কঠিন কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়, বরং অন্যন্ন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ থেকে অনেক সহজ। এইচটিএমএল ল্যাঙ্গুয়েজ এর বেশ কিছু ট্যাগ রয়েছে সেগুলো ব্যবহার করে একটি ওয়েবপেজের বিভিন্ন অংশকে কমান্ড করা হয়।

সিএসএস (CSS): এটাও একটা মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ। এটি নির্ধারণ করে দেয় ব্রাউজার যে কন্টেন্ট HTML দ্বারা প্রদর্শিত হবে সেটা দেখতে কেমন হবে। অর্থাৎ ফন্ট সাইজ, মার্জিন, এলাইনমেন্ট, কালার, ব্যাকগ্রাউন্ড এমনকি কোন অংশকে এনিমেট ও করা যায়।

জাভাস্ক্রিপ্ট/জেকুয়েরি (javascript/jQuery): এই দুটোকে মূলত প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের কিছুটা কাছাকাছি ধরা যায় এবং এটিকে স্ক্রিপ্ট ও বলা হয়। মূলত দু,টি জিনিসের কাজ একই তবে জেকুয়েরি হচ্ছে জাভাস্ক্রিপ্টেরই একটা রূপ যা সাইটে জাভাস্ক্রিপ্ট ব্যবহারকে অনেকটাই সহজ করে। এর মূল কাজ হচ্ছে একজন ইউজার একটি ওয়েবসাইট এর কোন জায়গায় ক্লিক করলে পরবর্তী কি কাজ হবে সে কাজগুলো নির্ধারণ করা হয়। যেমন, সাবমিট বাটন, সেন্ডমাইল বাটন, মেসেজ কনফার্ম বাটন, অ্যাক্টিভেশন, সাবস্ক্রিপশন ইত্যাদি কাজ করা হয়।

পিএইচপি (PHP) : আরো একটি জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হলো পিএইচপি। পিএইচপি এর কাজ নরমালি যারা ওয়েব ডেভলপমেন্ট করে থাকেন তাদের বেশি প্রয়োজন হয়। এবং যারা ওয়েব ডিজাইন/Web Design করেন তাদেরও পিএইচপি সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা উচিত। কেননা একটি ওয়েবসাইটের স্ট্রাকচার তৈরি করতে গেলে অনেক ক্ষেত্রেই পিএইচপি এর প্রয়োজন হয়।

কোথায় থেকে শিখব?
এখন মোটামুটি ভাবে কি কি কাজ শিখতে হয় এর ডিমান্ড এ সম্পর্কে জানতে পারলাম কিন্তু কোথায় থেকে ওয়েব ডিজাইন শিখব। হ্যাঁ আপনি যদি ওয়েব ডিজাইন শিখতে চান তাহলে দুই ভাবে শিখতে পারবেন। সেগুলো হলো,

১। ফ্রি মেথড (Free Method): আপনার যদি ভালো মনোবল থাকে ওয়েব ডিজাইন শেখার মত তাহলে আপনি চাইলে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে টিউটোরিয়াল দেখে অথবা ইউটিউব থেকে টিউটোরিয়াল দেখে ওয়েব ডিজাইন/Web Design শিখতে পারবেন। যেহেতু এটি ফ্রী সেহেতু ভালো মানের টিউটরিয়ালগুলো খুঁজে পাবার ক্ষেত্রে আপনাকে সময় ব্যায় করতে হবে। বর্তমানে অনলাইনে অনেক ভালমানের টিউটোরিয়াল রয়েছে ওয়েব ডিজাইনের ওপর সুতরাং চিন্তার কোন কারণ নেই আপনি চাইলেই শিখে নিতে পারবেন।

২। পেইড মেথড (Paid Method): এবং আপনি যদি খুব দ্রুত বেসিক ধারণা করতে চান সেক্ষেত্রে আপনার আশেপাশে বিভিন্ন ট্রেনিং সেন্টার রয়েছে আপনি চাইলে সেখানে গিয়ে টাকা খরচ করে তাদের ট্রেনিং সেন্টারে যুক্ত হয়ে ওয়েব ডিজাইন/Web Design শিখে নিতে পারেন। এজন্য আপনাকে 10 থেকে 50 হাজার টাকার মতো খরচ করা লাগতে পারে।

কত টাকা খরচ হবে?
আমি অলরেডি ওপরের অংশে বলে দিয়েছি ওয়েব ডিজাইন শিখতে কত টাকা খরচ হবে? আবারো বলছি যদি আপনি চান তাহলে ওয়েব ডিজাইন শিখতে পারবেন এর জন্য আপনাকে শুধুমাত্র সময় ব্যয় করতে হবে। আর যদি টাকা খরচ করে কোন ট্রেনিং সেন্টার থেকে শিখতে চান সেক্ষেত্রে আপনি খুব দ্রুত বেসিক ধারণা গুলো শিখতে পারবেন এবং এর জন্য আপনার 10 হাজার টাকা থেকে 50 হাজার টাকা খরচ হতে পারে।

তবে হ্যাঁ আপনি যদি কোনো ট্রেনিং সেন্টার থেকে ওয়েব ডিজাইন শিখুন তার পরও প্রতিনিয়ত অনলাইনে বিভিন্ন টিউটোরিয়াল অথবা বিভিন্ন নিত্য নতুন ধারণা করতে হবে, অন্যথায় মার্কেটপ্লেসে টিকে থাকতে পারবেন না।

কতদিন সময় লাগবে?
এ প্রশ্নটির উত্তর সম্পূর্ণ আপনার উপর নির্ভর করবে। কেননা নির্ভর করবে আপনি প্রতিদিন কতটুকু সময় দিতে পারবেন অথবা আপনি ফ্রি ভাবে শিখছেন নাকি টাকা দিয়ে শিখছেন। আপনি যদি কোনো ট্রেনিং সেন্টার থেকে টাকা দিয়ে ওয়েব ডিজাইন/Web Design শিখতে চান সেক্ষেত্রে তিন থেকে ছয় মাস সময় লাগতে পারে । আর যদি অনলাইন ঘেঁটে বিভিন্ন ভিডিও বা টিটোরিয়াল দেখে শিখেন তাহলে সেক্ষেত্রে আপনাকে 4 থেকে 10 মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

নোটঃ আপনাকে প্রচুর পরিমাণে প্র্যাকটিস করতে হবে, কেননা ওয়েব ডিজাইন শিখতে হলে প্র্যাকটিস এর বিকল্প কিছু নেই।

ওয়েব ডিজাইন এর মূল্য কেমন?
এক কথায় বলতে গেলে বর্তমান অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে ওয়েব ডিজাইন এর মূল্য ব্যাপক। একজন ভাল মানের ওয়েব ডিজাইনার প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে এবং যতটুকু পরিমাণে কাজ করতে পারে তার চেয়ে অধিক পরিমাণে কাজ তার কাছে থাকে। এবং অনেক ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন যারা সীমিত আকারে কাজ জানে এবং সেভাবেই মার্কেটপ্লেসগুলোতে অংশগ্রহণ করছে তারাও মোটামুটি কাজ করে যাচ্ছে।

এখানে কথা হল আপনি যত ভালো কাজ জানেন বা কাজ করতে পারবেন আপনার মূল্য ততটাই মার্কেটপ্লেসে বেশি থাকবে।

কাজ কোথায় পাব?
Web Design শিখে কাজ পাওয়ার অনলাইন বা অফলাইনে প্রচুর সেক্টর রয়েছে। যেখানে একজন ওয়েব ডিজাইনার খুব সহজেই তার অবস্থান করে নিতে পারেন। তবে যে সকল লোকেরা প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইন করে তারা বেশিরভাগই অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ করে থাকেন। অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে ওয়েব ডিজাইনের কাজ করার মতো রয়েছে নানান সেক্টর সেখান থেকেও আপনি চাইলেই অর্ডার গ্রহণ করে কাজ করতে পারেন।


ওয়েব ডিজাইন শিখে কত টাকা আয় করা সম্ভব?
ওয়েব ডিজাইনের কাজ শিখে কত টাকা আয় করা যায় এর উত্তরটি এককথায় বলতে গেলে, আপনি কতটুকু কাজ শিখতে পেরেছেন বা কতটুকু কাজ জানেন তার ওপর নির্ভর করবে আপনার আয়ের পরিমাণটা। বর্তমানে যারা অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে ওয়েব ডিজাইন এর কাজ করেন তাদের মধ্যে বেশিরভাগই লক্ষাধিক টাকা উপার্জন করেন প্রতি মাসে।

ওয়েব ডিজাইন শিখে আয় করার জনপ্রিয় কিছু মাধ্যমঃ
Web Design এর কাজ শিখার পর আপনি কোথায় কাজ করবেন, এ নিয়ে বিভ্রান্তিতে রয়েছেন? বিভ্রান্তির কোন কারণ নেই। আমি আজকে আপনাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি এমন কিছু ওয়েবসাইট যেখানে আপনি চাইলে খুব সহজেই আপনার ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন।

ওয়েব ডিজাইন শেখার খুটিনাটি
ওয়েব ডিজাইন শিখতে গিয়ে অনেকের মনে অনেক প্রশ্নের উদ্ভব হয়। তাদের জন্য এই লেখাটি।
প্রথমে এইচটিএমএল শিখতে হবে। এইচটিএমএলকে স্টাইল করার জন্য সিএসএস শিখতে হবে। সিএসএস এর ২ এবং ৩ ভার্শন আছে। আসলে লাউ আর কদু একই। কোনটা ২ কোনটা ৩ এটা নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে শিখতে থাকুন। অবশ্য এইচটিএমএল ৫ একটু ডিফারেন্ট।
সাইট ডিজাইন করার আগে ফটোশপে মকআপ তৈরী করা হয়। এই ফটোশপ ফাইলকে পিএসডি বলা হয়। পিএসডি করার পর এটাকে এইচটিএমএল এ রুপান্তর করতে হয়। এই কাজটিকে বলা হয় পিএসডি টু এইচটিএমএল।
এইচটিএমএল ও সিএসএস দিয়ে সাইট বানানো হলে, সাইটে এনিমেশন, স্লাইডশো ইত্যাদি করার জন্য জাভাস্ক্রিপ্ট দরকার হয়। এটা হল সাইটের মেকআপ বক্স।
সাইট বানানো হয়ে গেলে এটা কে রেস্পনসিভ করতে হয়। রেস্পনসিভ অর্থ হল, বিভিন্ন স্ক্রীন সাইজ অনুযায়ী সাইটকে প্রদর্শনের ব্যাবস্থা করা। রেস্পনসিভ করার জন্য অনেক ফ্রেমওয়ার্ক আছে। যেমনঃ লেস ফ্রেমওয়ার্ক, গামবী, ফাউন্ডেশন, এইচটিএমএল কিকস্টার্ট, টুইটার বুটস্ট্র্যাপ, স্কেলেটন, এইচটি এম এল ৫ বয়লারপ্লেট, মন্টেজ, স্প্রাউটকোর, যেব্রা, ক্রিয়েট যেএস ইত্যাদি।
এরপর সাইটকে ডায়নামিক করার জন্য সার্ভার সাইড স্ক্রিপ্টিং দরকার। অর্থাৎ সাইটে ফর্ম থেকে কোন তথ্য ডাটাবেজে স্টোর করার জন্য এবং ডাটাবেজে সংরক্ষিত তথ্য রিট্রিভ করার জন্য স্ক্রিপ্টিং করা দরকার। এজন্য দুইটা পেয়ার আমি বলব এখানে। একটা হল পিএইচপি ও মাইএসকিউএল, অন্যটি এএসপি ও এমএমএসকিউএল সার্ভার ২০০৮।
অনেকে স্প্যান ট্যাগ ইত্যাদি ছোট খাট বিষয় নিয়ে খুব ভাবেন। অনেক ডিজাইনার স্প্যান ট্যাগ ছাড়াই ডিজাইন করে থাকেন। টেন্সিত হবার কারন নেই।
এবার সিএমএস নিয়ে কথা বলি। সবচেয়ে জনপ্রিয় সিএমএস হল ওয়ার্ডপ্রেস। সিএমএস এর সুবিধা হলঃ অনেক কিছুই করে দেয়া থাকে, অল্প সময়ে সাইট ডিজাইন করা যায়। প্রচুর প্লাগিন পাওয়া যায়। প্লাগিন ব্যাবহার করে সময় বাচিয়ে সাইট তৈরী করতে সিএমএস এর জুড়ি নেই।
অনেকে সিএমএস কে ঘেন্না করেন। আসলে ‘র’ কোডিং জানা থাকলে সিএমএস কাস্টোমাইজ করতে পারবেন নিজের পছন্দ অনুযায়ী।
অন্য আরেকটি জনপ্রিয় সিএমএস হল জুমলা। জুমলা এর সিকিউরিটি ওয়ার্ডপ্রেসের চেয়ে কম, তাই অনেকে এটা পছন্দ করেন না।
ইকমার্স সাইট বানানোর জন্য ওয়ার্ডপ্রেসে প্লাগিন পাওয়া যায়। wp-ecommerce এরকম একটি প্লাগিন। জুমলাতেও ইকমার্স সাইট বানানোর জন্য প্লাগিন পাওয়া যায়। এরকম একটি প্লাগিন হলঃ Virtuemart.
ইকমার্স সাইট বানানোর জন্য স্পেশ্যাল কিছু সিএমএস আছে। যেমনঃ Opencart, Tomatocart, Zen cart, OsCommerce, NopCommerce, BigCommerce, PrestaShop, WooCommerce ইত্যাদি।
ইকমার্স সাইট বানানোর জন্য সাইটে পেমেন্ট মেথড ইন্ট্রিগেট করতে হয়। ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট মেথডের মধ্যে সবচেয়ে বিশ্বস্ত হলঃ PAYPAL। আরো অন্যান্য মেথডের মধ্যেঃ Payoneer, Payza, Skrill (Moneybookers), Authorize.Net, Amazon Payments, Google Wallet, Neteller, Wirecard, ModusLink, Fortumo ইত্যাদি সহ আরো অনেক আছে।
এসব পেমেন্ট মেথড কিভাবে সাইটে ইন্ট্রিগেট করতে হয় তা ঐ পেমেন্ট মেথডের সাইটের হেল্প ফাইলে বা সাপোর্টে পাওয়া যায়।
অনেকে সাইটে ফেসবুক লাইকবক্স, শেয়ার বাটন, পিন্টারেস্ট, টুইটার, গুগল+ ইত্যাদি শেয়ার/লাইক বাটন এড করতে চায়। এগুলো সংশ্লিষ্ট সাইটে পাওয়া যায়। গুগলে সার্চ করলে লিঙ্ক পেয়ে যাবেন। হয় ওরা আইফ্রেম কোড অথবা লিঙ্ক অথবা এইচটিএমএল কোড দেবে। কপি করে সাইটে পেস্ট করে দেবেন।
গুগল ম্যাপ বসানোর জন্য গুগল ম্যাপের লিঙ্কে গিয়ে স্থান, উইডথ/হাইট ঠিক করে দিলে নির্দিষ্ট মাপের ও স্থানের ম্যাপ পেয়ে যাবেন। কোড জেনারেট করে সাইটের এইচটিএমএল কোডে বসিয়ে দেবেন।

পরিশেষে আমাদের পরামর্শঃ
সবশেষে আমাদের পরামর্শ থাকবে, আপনি যদি ওয়েব ডিজাইন/Web Design নিয়ে কাজ করতে চান তাহলে নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন যে আপনি কি ওয়েব ডিজাইনার প্রতি আগ্রহী কিনা। যদি আপনি ওয়েব ডিজাইন শিখতে আগ্রহী থাকেন তাহলে আজ থেকেই শুরু করতে পারেন ওয়েব ডিজাইন শেখা। এবং প্রথমে আপনি বিভিন্ন ফ্রী টিউটোরিয়াল এবং ফ্রি ভিডিও দেখে ওয়েব ডিজাইন/Web Design শুরু করতে পারেন। বর্তমান ইউটিউবে যে পরিমাণে ওয়েব ডিজাইনের ওপর টিউটোরিয়াল রয়েছে আশা করি খুব সহজেই সেগুলো দেখে পরিপূর্ণ কাজ শিখে নিতে পারবেন।

বন্ধুরা আপনার কাছে কেমন লেগেছে যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। এবং আরও যদি কোন ব্যাপারে জানার আগ্রহী থাকেন, অথবা যদি আপনার কোনো পরামর্শ থাকে তাহলে আমাদের কমেন্ট করে জানান আমরা সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নিব। ধন্যবাদ

Related Tag: Internet income, Online Income, ইন্টারনেটে আয়, ঘরে বসে ইন্টারনেটে আয়।

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো পড়ুন







Theme Created By ThemesDealer.Com
x
x